তবে কারাগারই হোক আমাদের সর্বকলাকেন্দ্র!

সত্য উচ্চারণের জন্য বিনা বিচারে জেলে নিক্ষিপ্ত হওয়ায় মতো গৌরব আর কোথায়? জয় হোক আমার দিদার ভাইয়ের। দিদার ভাইদের কারাগারই হয়ে উঠুক আমাদের সর্বকলাকেন্দ্র।

উপনিবেশবাদ, নয়া-উপনিবেশবাদ এবং এই সময়ের বাংলাদেশে ব্যদুর্নিবেশবাদ

আসলে আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতায়, আমাদের শাসন ব্যবস্থা বুঝার জন্য নতুন ধারনা প্রচলন জরুরী। সেই ধারনাকে আমি নাম দিতে চাই – ব্যদুর্নিবেশ। এই ধারনাটিকে এভাবে প্রকাশ করা যায় যে, এটা হলো উপনিবেশোত্তরকালে ব্যক্তিস্বার্থে সব ধরনের দুর্নীতি আর অনাচারের জবাবদিহিবিহীন উপনিবেশিক ব্যবস্থার রাজনৈতিক অর্থনীতির চর্চা।

ক্রসফায়ার, প্রোপাগান্ডা এবং জনসংযোগের কৌশল

মাদকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ সফল না হলেও রাষ্ট্র - সে স্বৈরাচারী হোক, বা গণতন্ত্রী হোক - একে ব্যবহার করে সবসময়। কারণটা কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টও বলেছেন। চমস্কিও একে গরীবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বলেছেন, এবং এও বলেছেন যে এই ‘যুদ্ধ’ আসলে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার হাতিয়ার, মানে ‘প্রোপাগান্ডা’র জন্যে খুবই দরকারি।

তারেক মাসুদের ‘অপরিপক্ক’ সুলতান বোঝাপড়া ও ‘গায়েবি পাঠ’ প্রসঙ্গে

দুনিয়ায় ডিভাইনিটির ফেমিনিন প্রকাশ বা সাকিনা ধরণের ধারণার সাথে “ইশ্বরের প্রতিনিধি পরী” ধরণের ধারণা সংঘর্ষ আছে বলে মনে হয় না। তবে ইশ্বরের প্রতিনিধি পরী কথাটি সেই পাত্রের ধারণের উপযুক্ত বলেই মনে হয় যে পাত্র দুনিয়ার বুকে খোদার ফেমিনিন প্রকাশ সংক্রান্ত ধর্মতাত্ত্বিক বা দার্শনিক জ্ঞান ধারণ করেনা। সুতরাং, তারেক মাসুদের তথাকথিত অপরিপক্ক পাত্রের চাইতে পরিপক্ক কোন পাত্রের সন্ধান এই লেখাটিতে পেলাম না, তা বলে রাখা দরকার।

সুলতান বিষয়ক একটি তথ্য, একটি ভুল পাঠ এবং একটি গায়েবি পাঠ

তারা দাবি করেছে, পঞ্চাশের দশকে সুলতানের শিল্পকর্মের মধ্যে বিউপনিবেশায়নের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। লেখাটি ছাপা হয়েছে খুব নামকরা একটা জার্নাল থেকে। তাদের লেখার পক্ষে খুব একটা শক্তিশালী কোন যুক্তি খাড়া করতে পারেননি।

পুলিশ যখন সরকারের, পুলিশ যখন জনগণের

ঔপনিবেশিক প্রভাব কাটিয়ে পুলিশকে যদি জনগণের হতে হয় এবং জনগণের সেবার মধ্য দিয়েই সরকারের দায়িত্ব পালন করতে হয়, তবে পুলিশি ব্যবস্থার চেয়েও সরকার ব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তন অধিক জরুরি। সম্মতিভিত্তিক পুলিশিং পুলিশের একার কাজ নয়। পুলিশকে জনগণের হতে হলে পূর্বতন উপনিবেশগুলোর জন্য বিউপনিবেশায়নের রাজনীতির বিকল্প নেই।

‘ক্রসফায়ার’ ও স্ট্রেইটফায়ারের দুর্গতি

অপরাধীকে সনাক্ত করে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না করে সরাসরি মেরে ফেলার মতো বর্বর রাষ্ট্রব্যবস্থা বহাল রেখে আমরা কেউ নিরাপদ থাকতে পারব না। সুতরাং, গুম-খুন-ক্রসফায়ার-তুলে নিয়ে যাওয়া-হয়রানিমূলক মামলায় আটক রাখার রাষ্ট্রপ্রণালীর বিরুদ্ধে প্রত্যেক নাগরিকের সোচ্চার হওয়া জরুরি।

নির্বাচনে সবার ‘বিজয়’ সম্ভব

বাংলাদেশে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অনেক নাগরিক নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার চান। নির্বাচনী আগ্রহের চলতি জাতীয় মুহূর্তে সেই লক্ষ্যে সংলাপ শুরু করা যায়। কারণ, বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় মৌলিক গলদ রয়েছে।

সুলতানের রুহানিয়াত: ‘বন্যার পর’ ও ‘আদম সুরত’

বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শেখ মোহাম্মদ সুলতান (এস এম সুলতান) ১০ আগস্ট ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী পারভেজ আলম বিভিন্ন সময়ে এস এম সুলতানের আঁকা ছবিকে নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন। সুলতানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পারভেজ আলমের দুটো ছোট লেখা ব্লগে প্রকাশিত হলো।

Enforced disappearances and answers to two questions

A couple of questions, in such a situation, naturally come up — why do states continue committing this crime against humanity? And does this dirty method of enforced disappearances, now rising as a global phenomenon having a legacy in the colonial past, mean that we will have to tolerate or turn a blind eye to the issue?