রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের প্রতিবাদে রাষ্ট্রচিন্তার বিবৃতি

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর যন্ত্রপাতি নবায়ন, আধুনিক প্রযুক্তির সংস্থাপন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও কার্যকর পাট গবেষণার মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই খাতকে লাভজনক করে তুলতে এর চাইতেও অনেক কম টাকার দরকার হবে।

করোনাকালীন কথকতা: বাজেট, বেতন ও দুর্যোগ সহায়তা

চারু হক কাছাকাছি আয় উন্নতি ও আর্থসামাজিক পরিস্থিতি সম্বলিত রাষ্ট্রগুলো করোনা নামক মহাবিপর্যয় থেকে তাদের মানুষকে রক্ষার লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে সবই জানা যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত তুলনায় তুলে ধরা পাকিস্তান...

‘পাটশিল্প বাঁচানোর শ্লোগানের চাইতে পাটশ্রমিকদের বাঁচানোর শ্লোগানটা জরুরী’

পাটশিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ দেখি না। তাই, পাটশিল্প বাঁচানোর শ্লোগানের চাইতে পাটশ্রমিকদের বাঁচানোর শ্লোগানটা জরুরী। রাষ্ট্রের টাকা, রাষ্ট্রের সম্পদ- মানে জনগণের টাকা, জনগণের সম্পদ। জনগণের পকেট কাঁটার এই আয়োজন বন্ধের দাবি তোলা খুব জরুরী!

মানুষের রাষ্ট্রে কেমন হতে পারে স্বাধীন স্থানীয় সরকার

কেন্দ্র থেকে যখন প্রান্তে ক্ষমতা ও দায়িত্ব চলে আসবে তখন দেশের বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে আমরা দেশের কাজে লাগাতে পারবো। ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলাপর্যায়ে সৃষ্টি হবে অনেক অনেক কাজের সুযোগ। নিজের এলাকাতেই দেশের জন্যে কাজ করতে পেরে এলাকার লোকজন পাবেন নতুন এক দায়িত্ববোধ। আর এই দায়িত্ববোধের সুষ্ঠ প্রতিপালনে তারা থাকবেন পরিতৃপ্ত।

বাংলাদেশে পাটশিল্প বিনাশের দায় কার

বিশ্বব্যাংকের সেই সংস্কার কর্মসূচিতে আশাবাদ প্রচার করা হয়েছিল যে, সংস্কার শেষ হতে হতেই পুরো খাত ব্যক্তিমালিকানাধীনে চলে যাবে। বলা হয়েছিল, এসবের মধ্য দিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং এই খাতের উন্নয়ন ঘটবে। পরিস্কার দেখা গেল- অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, উৎপাদনশীলতা কমেছে, কর্মসংস্থান ৮০ শতাংশ কমে গেছে আর সব মিলিয়ে শিল্প প্রসারের বদলে গুরুতর সংকোচন ঘটেছে।

যেন অনলাইন ক্লাসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সমস্যার সমাধান!

তাছাড়া যদি ধরে নেই উপরের সব কিছুই আছে তারপরও কোন কোন শিক্ষকের এই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য সাপোর্ট প্রয়োজন হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় কি সেই সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তুলতে পেরেছে? সব কিছু শুরু করার আগে প্রস্তুতিমূলক একটা হোমওয়ার্ক লাগে আমরা কি সেটাও করেছি?

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো গণবিরোধী আইন তৈরির ক্ষমতাকাঠামো

এইরকম কেন্দ্রীভূত ক্ষমতাকাঠামো যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় থাকে আর মানুষের কাছে জবাবদিহি করা নুন্যতম ব্যবস্থা যে সরকার ব্যবস্থায় থাকেনা সেইটা বহাল রেখে অনেক কষ্টেসৃষ্টে হয়তো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমরা বাতিল করাতে পারবো, কিন্তু গণবিরোধী আইন বানানোর ব্যবস্থাকে বদলাতে পারবোনা।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় ‘নব্য-উদারনীতিবাদ’: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ‘কৌশলপত্র’ কেন গ্রহণযোগ্য নয়?

চার বছর মেয়াদি অনার্স কোর্স বা সেমিস্টার পদ্ধতি ইউজিসির কৌশলপত্র অনুযায়ী হয়নি। তবে মর্মের দিক থেকে এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতির দিক থেকে কৌশলপত্রের সঙ্গে এর যথেষ্ট মিল আছে। এ ধরনের উদ্যোগ কোনো সুফল আনতে পারে না। বরং বিদ্যমান পদ্ধতির তাৎপর্যও নষ্ট করে। এ কারণেই ইউজিসি-প্রণীত কৌশলপত্র সম্পর্কে সতর্কতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা দরকার।

‘শিক্ষক-সুলভ’ আচরণ!

বহুল প্রচারিত এই সব আচরণই যেহেতু ভার্সিটি-টিচারদের মধ্যে সুলভ মনে করেন অনেকে- সুতরাং মোটাদাগে এগুলোই ইদানিং কালের "শিক্ষক-সুলভ আচরণ" বলে বিবেচিত হচ্ছে কি?

বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসন অর্থায়ন।। রাষ্ট্র-বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্ক পাঠ: মুক্তিপরায়ণ রূপকল্প

নয়া উদারবাদী শাসকতার দাপটে জ্ঞানের সঙ্গে জীবন-সমাজ-সংস্কৃতির দুরত্ব বাড়ছে। ফলে ক্রমাগত জ্ঞান পরিণত হচ্ছে টেকনোক্রাটিক পারফরমেন্সের বিষয়ে। এর খপ্পর থেকে বেরুতে হলে স্ব-প্রশ্ন জীবন পরীক্ষণের দর্শনের বিকল্প নেই। আর এ জন্যই অকুপাই আন্দোলন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। আমাদের সংগঠিত করতে হবে এমন এক আন্দোলন যার প্রতিরোধ হবে সর্বব্যাপী, গঠন হবে আনুভূমিক, ভাষা হবে নতুন।