বব মার্লে ও আমাদের অসমাপ্ত ‘যুদ্ধ’

মার্লেরা কিসের জন্য লড়েছেন? কাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন? কাদেরকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছেন? মার্লেরা লড়েছেন নষ্ট-ভ্রষ্ট সিস্টেমের বিরুদ্ধে, মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে, ধ্বংস করে ফেলতে চেয়েছেন শোষণ-শাসনের এই কর্তৃত্ববাদী সিস্টেমকে। ছিঁড়ে ফেলতে চেয়েছেন দাসত্বের শৃঙ্খলকে।

রাষ্ট্রচিন্তা ৭ দফায় কি বলতে চেয়েছে?

বিগত ৫০ বছরের শাসনকালের পর্যালোচনা থেকে তাই আমরা এটা স্পষ্ট যে, দেশের মানুষকে সম্পদ পাচার এবং জুলুম থেকে বাঁচতে হলে দেশের বিদ্যমান আইনকানুন, বিশেষত রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে যেইসব আইনকানুন সম্পর্কযুক্ত, সেগুলির পরিবর্তন করতে হবে। রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগকারীদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আমাদের দেশের ৯৯ ভাগ মানুষই এইসব জুলুম, বেঈমানী আর অন্যায় আইন থেকে রেহাই চায়। কিন্তু কি করলে এ অবস্থার অবসান হবে এবং এ অবস্থার পরিবর্তে আমরা কেমন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারবো, সে সম্পর্কে তাদের সামনে স্পষ্ট কোনো ছবি নেই। তাই মানুষ হতাশ হয়ে এইসব জঘন্য অপরাধ আর জুলুমের সাথে আপোষ করেই একরকমভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করতে বাধ্য হচ্ছে।

এইটা কি কোনো পোশাকী মহড়া?

জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যে সঙ্কটকাল আমরা এখন পার করছি সেটা সামনের জলবায়ু সঙ্কটের জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত কিংবা কিংবা প্ররোচিত করছে অথবা উস্কানি দিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার এই হাইপোথিসিসকে এখন একটু খুঁটিয়ে দেখা দরকার।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও জনগণের বিরুদ্ধে অনন্ত ‘যুদ্ধ’

সরকারের সমালোচনা করা যাবে না কেন? রাষ্ট্রীয় জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না কেন? সমাজে কি ভিন্নমত থাকবে না? মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি থাকবে না? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার এমন মৌলিক বোঝপড়াগুলোকেও ‘আইনি’ প্রক্রিয়ায় রদ করা হচ্ছে। ফলে, আমাদের চোখের সামনেই আমরা ফ্যাসিবাদী ও একচেটিয়াতন্ত্রের উলঙ্গ আস্ফালন দেখতে পাচ্ছি।

শ্বাস নেয়ার অধিকার

শ্বাস নিতে না পাইরা ফ্লয়েড মারা গেলেন এমন একটা সময়ে, যখন আশিল এমবেম্বে শ্বাস নিতে পারার অধিকারকে একটি সর্বজনীন অধিকার (universal right) বলে ঘোষণা করেছেন।

মওলানা বরকতুল্লাহ আমাদের ইতিহাসের কে হন?

এর মাঝে রাজা মহেন্দ্রকে নিয়ে ইতিহাসচর্চার পরিসরে কিছু আলাপ-আলোচনা হলেও মওলানা বরকতুল্লাহ (পুরো নাম আব্দুল হাফিজ মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ) ইতিহাসে প্রাপ্য সম্মান পেয়েছেন সামান্যই। কিন্তু কেন? এই হলো প্রথম প্রশ্ন।

আইন যখন ন্যায্যতার বিপরীতে অবস্থান নেয়, তখন মানুষের দায়িত্ব সেই আইনকে উপড়ে ফেলা

দুই-দুইবার দেশ স্বাধীন করার পরও কেন একটা স্বাধীন রাষ্ট্র এখনো গড়ে তোলা গেল না, সে বিষয়ে আমাদের রাষ্ট্রনৈতিক চেতনাকে এখনো যে প্রায় বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী পর্যায়ে আটকে রাখা গেছে, তার মূল চাবিকাঠিটা এইখানে।

পাশ্চাত্যের ‘সোনালী জীবন’ বনাম প্রবাসীদের আত্মত্যাগ ও দীর্ঘশ্বাসের গল্প

পৃথিবীর অন্য আরো সংস্কৃতিতেও নিশ্চয়ই এরকম আত্মত্যাগের ঘটনা আছে। কিন্তু আমি ইউরোপ, আমেরিকার বহু দেশ ঘুরেও পরিবারের ঘানি টানতে এভাবে নিজেকে নিঃশেষ করে দেওয়া অন্য জাতির অনেক যুবকের দেখা পাইনি। কিসের নেশায়, কোন মোহে তারা এটি করে? কেন করে?

সোজার্নার ট্রুথ: নারীবিদ্বেষ ও বর্ণবৈষম্য-বিরোধী পথিকৃৎ আগুন

শিক্ষাদীক্ষা-জ্ঞানবিজ্ঞানে উন্নত দেশগুলোতে ট্রুথ আলোচিত হচ্ছেন। আমেরিকা ও ইউরোপে তিনি ভাস্কর্য ও চিত্রকর্মে স্থান পেয়েছেন, এবং পাচ্ছেন। তাঁর নামে স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকেন্দ্র,লাইব্রেরি ইত্যাদির নামকরণও হয়েছে। তাঁর ছবিসহ যুক্তরাষ্ট্রের দশ ডলারের বিল বাজারে আসবে এই বছরই।