সমাধান কি? আর শুরু করতে হবে কোত্থেকে?
এই যে প্রতিদিন হাজারে-বিজারে সমস্যা পয়দা হয়, একটা নিয়ে কথা বলা শুরু করার আগেই আরেকটা এসে ছোঁ মেরে আপনার মনোযোগ কেড়ে নেয়, এর সমাধান কি?
এই যে প্রতিদিন হাজারে-বিজারে সমস্যা পয়দা হয়, একটা নিয়ে কথা বলা শুরু করার আগেই আরেকটা এসে ছোঁ মেরে আপনার মনোযোগ কেড়ে নেয়, এর সমাধান কি?
লেখক: অনুপম সৈকত শান্ত বিডিনিউজ২৪ এর মতামত পেজে প্রকাশিত জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত নাদিম মাহমুদের “গণস্বাস্থ্যের করোনাভাইরাস শনাক্তকারী কিট নিয়ে সংশয় কেন?” শীর্ষক লেখাটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। লেখার মাঝে অসংখ্য...
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেকগুলো রাষ্ট্র করোনা নিয়ন্ত্রণে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে, সফল হয়েছে। তবে বেশিরভাগ রাষ্ট্রই করোনা নিয়ন্ত্রণে কমবেশি ব্যর্থ হয়েছে। এ নিবন্ধে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে এরকম সফল রাষ্ট্র ও ব্যর্থ রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা করা হল।
গত ২০/০৪/২০২০ তারিখে রাষ্ট্রচিন্তার আয়োজনে ‘করোনাকালের কৃষি ও ত্রাণ : সংকট ও পরিত্রাণ’ শীর্ষক ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ত্রাণ ও দুর্গত মানুষ রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম...
বিশ্বে ভ্যাকসিন বাজারের আকার ন্যূনপক্ষে প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার। গত দু’দশকে এটা ছয় গুণ বেড়েছে। রোগশোক, আতংক, মৃত্যুভয় বিশ্ব পুঁজিতন্ত্রের মহা প্রাণভোমরাই বটে।
এতোকিছুর মাঝেও ‘করোনাযুদ্ধ’, ‘প্রথম শহীদ’, ‘ফ্রন্টলাইনার’ এই কথাগুলোও দৃষ্টি এড়িয়ে যায়নি!!! অনেকেই মোটাদাগে করোনা মোকাবেলাকে ‘করোনাযুদ্ধ’, ডাঃ মইনকে করোনাযুদ্ধের ‘প্রথম শহীদ’ ও ডাক্তারদের ‘ফ্রন্টলাইনার যোদ্ধা’ বানিয়ে ফেলেছেন। পশ্চিমা নেতা-মিডিয়ার ‘যৌথ প্রযোজনা’য় সৃষ্ট করোনাবস্থা কে খুব কায়দা করে যে ‘যুদ্ধাবস্থা’ হিসেবে আমাদের মগজে ‘সেট করা’ গেছে সেটা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে।
গত ১৪ই এপ্রিল, ২০২০ তারিখে রাষ্ট্রচিন্তার আয়োজনে দ্বিতীয় ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এবারের বিষয়বস্তু ছিল ‘করোনাকালের স্বাস্থ্যব্যবস্থা : রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা, সংকট এবং উত্তরণের পথ’।
বলা হচ্ছে, করোনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে, যেটা হবে দীর্ঘস্থায়ী। আর বাংলাদেশ প্রায় বিশ কোটি মানুষের দেশ, যা গোটা ইউরোপের জনসংখ্যার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ। আমাদের রাস্তায়, স্টেশনে, ঝুঁপড়িতে, বস্তিতে যতো মানুষ থাকে, পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক দেশে মোট মানুষের সংখ্যাও তত নয়। আর এই বিপুল সংখ্যক মানুষের খাদ্য-নিরাপত্তা নির্ভর করে মূলত ধান উৎপাদন এবং তার সংগ্রহ ও বণ্টনে, অর্থাৎ কৃষকের ওপর।
লুম্পেন পুঁজিবাদের দেশ বাংলাদেশে দেখছি স্কয়ার বা বেক্সিমকোর মতো দানবীয় গ্রুপগুলো অত্যাবশ্যক ওষুধের দাম বাড়িয়ে সেখান থেকে ৫০০ কোটি ব্যবসা নিশ্চিত করে বড়জোর ৫০ কোটি দান হিসেবে তুলে দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। যে তহবিলের টাকা আদৌ উদ্দিষ্ট মানুষের কাছে পৌঁছবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ করার অনেক কারণ ও নজির আছে।
সংকটের মাঝখানে বসে টের পাচ্ছি, এইসব ভাবনা ফ্যান্টাসি মাত্র। ঘনঘোর বিপর্যয়ের মাঝখানে বসেও যখন কোন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সংগঠন কেবল মুনাফাকেই প্রাধান্য দেয় তখন বোঝাই যায় আর কোন আশা নেই।