পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন খাতে নিরাপত্তাকরণ প্রক্রিয়া
মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান; ভাষান্তর: ডালিয়া চাকমা সম্পাদকীয় মন্তব্য: মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খানের এই প্রবন্ধটি ২০১৫ সালের ১২ জুনে নিউ এজ পত্রিকায় Securitisation of tourism in CHT...
মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান; ভাষান্তর: ডালিয়া চাকমা সম্পাদকীয় মন্তব্য: মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খানের এই প্রবন্ধটি ২০১৫ সালের ১২ জুনে নিউ এজ পত্রিকায় Securitisation of tourism in CHT...
সংজ্ঞা অনুযায়ী, সকল হায়ারার্কিকেই প্রতিযোগীতার সামনে দাঁড় করানো উচিৎ। আমি র্যাডিকাল সমতার পক্ষে। প্রথাগত সমতা অর্থহীন, যতদিন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু মানুষ (বেশিরভাগ সময় একই মানুষগুলি) অকাল মৃত্যুর মুখে আটকে থাকে।
বর্তমানে শ্রোতাদের কাছে নকল প্লট আর সস্থা আইটেম গান দিয়ে ভরা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তাই বেশি কিন্তু এর কারণ রূচি বা বুদ্ধিমত্তা নয়। বাংলাদেশী আমজনতা আকর্ষণীয় এবং চিন্তা-চেতনামূলক সিনেমা থেকে বঞ্চিত । সেন্সর বোর্ডের মতো কর্তৃত্বমূলক সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত চলচ্চিত্র প্রোডাকশনের কাঠামো উদ্যমী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নতুন যুগের ভাবনায় নিরুৎসাহিত করে। চলচ্চিত্রকে তার আসল উদ্দেশে পরিবেশন করতে এবং বিপ্লবী ধ্যান ধারণার প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হতে হলে প্রথমেই প্রপাগান্ডা ও নিয়ন্ত্রণের ঔপনিবেশিক মূল থেকে শিল্পকে উপড়ে ফেলতে হবে।
আনন্দমঠ হিন্দু জাতীয়তাবাদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে হাজির হয়। ব্রিটিশদের হটানোর জন্য এই জাতীয়তাবাদ মুসলমানদের সাথে নেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনেনি। বইটির প্রথম সংস্করণ ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে হিন্দুদের লড়াই থেকে মুসলমানদের একেবারেই বাদ দেয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় সংস্করণে যদিও শত্রু গোরা, ব্রিটিশ ও সেনা থেকে পরিবর্তিত হয়ে ‘নেড়ে’ ও ‘যবন’ হয়ে যায়। এই দুটো অবমাননাকর শব্দ দ্বারা বাংলার মুসলমানদেরকে বোঝানো হতো।
কিন্তু ঔপনিবেশিক স্মৃতির বিউপনিবেশায়নের পুরো ধারণার প্রতিও আমি আগ্রহী। এর দ্বারা আমি বিনির্মাণ (deconstruction) বোঝাচ্ছি। আমাদের বোঝা দরকার উপনিবেশিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যেসকল ব্যবস্থা গিয়েছে, তা আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আফ্রিকা বা এশিয়া যাই হোক না কেন, সবগুলোকেই মনের বিউপনিবেশায়নের মধ্য দিয়ে যাওয়া দরকার। এটা উপলদ্ধি করা খুব বেশি জরুরি যে, উপনিবেশিক ব্যবস্থা প্রায় সবাইকে বিভিন্ন উপায়ে আক্রান্ত করে।
আমি তাকে বললাম, সাধারণ মানুষের ওপর গুলি ও নির্যাতনের প্রমাণ আমি নিজে দেখেছি। ‘আমার ছেলেরা সেটা করেনি,’ তিনি বললেন। তোমরা ব্রিটিশরা এখানে দাঁড়িয়ে যে সম্মান পাচ্ছো, তাদেরও (বাঙালি) একই সম্মান রয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যে সঙ্কটকাল আমরা এখন পার করছি সেটা সামনের জলবায়ু সঙ্কটের জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত কিংবা কিংবা প্ররোচিত করছে অথবা উস্কানি দিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার এই হাইপোথিসিসকে এখন একটু খুঁটিয়ে দেখা দরকার।
ষড়যন্ত্র বোঝাতে অ্যাসাঞ্জ এমন একটা ক্ষমতা– সম্পর্ক কে চিহ্নিত করেন, যা জালের মত, এবং তার গিটগুলো কেন্দ্র হিসেবে পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। এই মিথস্ক্রিয়া ছাড়া ষড়যন্ত্র অসফল। এই মিথস্ক্রিয়া ছাড়া ষড়যন্ত্র অসফল। ষড়যন্ত্রকে এই নিরিখে দেখার অ্যাসাঞ্জের ভঙ্গি কয়েকটি বিষয় খোলাসা করে। প্রথমত, ষড়যন্ত্রকে শাসকতার অংশ হিসেবে থিওরাইজ করা। দ্বিতীয়ত, খোদ ষড়যন্ত্র ও কমিউনিকেশন এর মিথোজীবিতাকে উন্মোচন করা। তৃতীয়ত, পুরো ষড়যন্ত্রকে এতদিন একটা দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবেই দেখা হত; বলা হত এটা তো ‘ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’। আর সত্যিকারের কোন ষড়যন্ত্র উন্মোচন করলেও তখন বলা হত, এসব ষড়যন্ত্র দিয়ে সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বোঝা যায় না। অ্যাসাঞ্জের আলাপ এই তৃতীয় প্রকল্পকে ধূলিসাৎ করে দেয়।
মূল: জর্জিও আগামবেনভাষান্তর: আ-আল মামুন (আগামবেনের ব্লগ থেকে লেখাটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন ডঃ আল্যান ডিন ১১ মে ২০২০ তারিখে) আমাদের দেশে (আর কেবল আমাদের দেশেই...
১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় নিয়ে জন পিলজারের প্রতিবেদন।